রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর
রংপুরে বদরগঞ্জ উপজেলা জুড়ে যেসব স্হাপনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এসিল্যান্ডকে নির্দেশ প্রদান করলেন জামায়েত ইসলামি সংসদ সদস্য এটি এম আজহারুল ইসলাম.।শুক্রবার ৬ মার্চ বদরগঞ্জ সরকারি কলেজে পেশাজীবি আয়োজনে ইফতার মাহফিলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এটি এম আজহার এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আপনাদের যাদের বাড়ির পাশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তাদেরকে বাঁধা দিতে হবে।জনগণ এগিয়ে আসলে কারো ক্ষমতা নেই অবৈধভাবে ভালো উত্তোলন করে। বদরগঞ্জে বালু মহল সংরক্ষিত ব্যবস্হা নেই তাই এরা সহজেই বালু উত্তোলন করতে পারে। আমি এসিল্যান্ডকে নির্দেশ দিলাম অবৈধ বালু উত্তোলনকারী বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের গাড়ি যখন প্রশাসন আটক করে তখন গাড়ি ছাড়ার জন্য আমাকে ও আমার দলের শীর্ষ নেতাকর্মীকে ফোন দেয়। আমারে স্পষ্ট কথা আমি কোন অবৈধ তদবির শুনি না করিও না। আমার কাছে আপনারা অবৈধ তদবির নিয়ে আসবেন না।তিনি আরো বলেন জামায়াতে ইসলামী পাঁচ বছর সুন্দর সৎ নিষ্ঠাবান সহিত দায়িত্ব পালন করে যাবে।কোন অপরাধ দূনীতি সঙ্গে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দলের নেতা কর্মীগনকে।ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছর পর জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসবে।বদরগঞ্জ অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা জামায়াতে ইসলামী নাম ভাঙ্গিয়ে বালু তুলছেন।এটা ডাহা মিথ্যা কথা। আমরা দূনীতি করিনা করতে দিবোনা।
যারা এধরণের দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চললে তাদের প্রশাসন কাছে তুলে দেন।এটি এম আজহার আরো বলেন, বদরগঞ্জ জামায়াতে আমির সাধারন সম্পাদক, নায়েবে আমির এই তিনজনের কথা বলে কেউ অপকর্ম করলে আমাকে জানাবেন।আমি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্হা নিবো।আমাকে যারা ভোট দিয়েছে,আর যারা দেয়নি এবং যারা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেননি। তিনি আরো বলেন, আমি ৫৭ বছর থেকে রাজনৈতিক করি আমার ঢাকা শহরে একটি বাড়ি নাই। আমি দূনীতি করিনা।
যারা আমাকে মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যেতে চেয়েছিল।আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করিনি।কারন আমি মামলা বাজ নই।পবিত্র রমজান মাসে আসুন আমরা সবাই বৈধ ভাবে চলি।হালাল রোজগার খাই।হারাম বর্জন করি।আমরা যত ইবাদত বন্দেগি করি,যাকাত দেই হজ করি হারাম আয় করলে তা সব ভেস্তে যাবে।ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামী নায়েবে শাহ মু রুস্তম আলী, আমির কামরুজ্জামান কবির,সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।